৮ই মাঘ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২১শে জানুয়ারি, ২০১৯ ইং | ১৫ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪০ হিজরী | সোমবার | রাত ১০:৪১ | শীতকাল
সর্বশেষ সংবাদ
Bangla Font Problem?

ধাইনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কর্মচারী প্রয়াত অনিল কুমারের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

শনিবার :: ১২.০১.২০১৯
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ তহবিলের আয়োজনে, ধাইনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কর্মচারী প্রয়াত অনিল কুমারের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে জেলার শিল্পকলা মার্কেটের তৃতীয় তলায় একটি সম্মেলন কক্ষে এই স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ তহবিলের সভাপতি এবং পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত অনিল কুমারের সহ-ধর্মিনী ও বড় ছেলে, ধাইনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, নামোশংকরবাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসলাম কবিরসহ জেলার বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। সভার শুরুতেই প্রয়াত অনিল কুমারের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব ও বার্ষিক সমাবেশ নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম বলেন, মৃত্যু খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। সবাইকেই মৃত্যুবরণ করতে হবে। আর এই দুনিয়ায় আমরা আমাদের কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকবো। যে যত ভালো কাজ করবে মানুষ তাকে ততখানি স্মরণ করবে। আমাদের প্রিয় সহকর্মী অনিল, উনি পৃথিবী থেকে চলে গেছেন। তার ছেলেমেয়েরা আছেন, তাদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করছি, তার মায়ের সেবা শুশ্রুষা করার জন্য। এখান থেকে যে অর্থটা আমরা দিচ্ছি সেটা নিজেদের ছেলেমেয়েদের কল্যাণের জন্য সকল মা খরচ করেন। এখানে প্রত্যেকেই আমরা একটি পরিবারের সদস্য। আমরা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের ভালোর জন্য দোআ করবো। প্রয়াত অনিল কুমারের কর্মজীবন নিয়ে ধাইনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার এই কর্মচারী এবং আমি একই দিনে একই সাথে আমাদের স্কুলে যোগদান করেছি ১৯৯৫ সালে। তার ২টি ছেলে, তিনি মারা গেছেন ২০১৮ সালের ৫ অক্টোবর। এই কর্মচারী যদিও কর্মচারী, একটা স্কুল নতুন করে তৈরী করতে গিয়ে কে কর্মচারী, কে প্রধান শিক্ষক, কে সহকারী শিক্ষক কিছুই ভেদাভেদ থাকেনা। কর্মচারীদের সাথে আমিও ডালি ধরেছি। মৃত্যু আমাদের আসবে, কখন আসবে এটা আমরা জানিনা, কিন্তু মৃত্যু আসবে। কিন্তু সবার কাজের গুণাগুণ গুলো আমরা তার মৃত্যুর পরে বেশী বুঝতে পারি, যখন বেঁচে থাকি তখন বুঝতে পারি না। অনিল কুমার এই স্কুল গড়ার ব্যাপারে অনেক ভূমিকা রেখেছে। সকলের উপস্থিতিতে প্রয়াত অনিল কুমারের ছেলেকে বলতে চাই, সর্বদা ভালোভাবে তোমার মায়ের খেয়াল রাখতে হবে, যেন কোন দু:খ-কষ্ট না পায়, আর তোমার ভাইকেও মানুষের মত করে গড়ে তুলতে হবে। আলোচনা পর্ব শেষে প্রয়াত অনিল কুমারের পরিবারকে ২ লক্ষ ১৫ হাজার ৬০২ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন জেলা শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ তহবিলের সভাপতি এবং পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম। এরপর উপস্থিত বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের হাতে নতুন বছরের ক্যালেন্ডার, ডায়েরী এবং বাংলা ও ইংরেজী ব্যকরণের সৌজন্য সংখ্যা প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, এর আগে জেলা শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ তহবিলের পক্ষ থেকে, প্রয়াত অনিল কুমারের পরিবারকে ১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

মন্তব্য দেয়া বন্ধ রয়েছে।

একদম উপরে যান