৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৭ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৯ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪০ হিজরী | শনিবার | সকাল ৯:০৫ | হেমন্তকাল
সর্বশেষ সংবাদ
Bangla Font Problem?

তিন দিনব্যাপী তথ্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত

সোমবার :: ২২.১০.২০১৮
“তথ্যের অধিকার, সুশাসনের হাতিয়ার; তথ্যই শক্তি, দুর্নীতি থেকে মুক্তি” স্লোগানে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ৩ দিন ব্যাপী তথ্যমেলার। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও সচেতন নাগরিক কমিটি সনাকের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত মেলার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক এজেডএম নুরুল হক। সনাকের সভাপতি সাইফুল ইসলাম রেজার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে এসময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক ড. চিত্রলেখা নাজনিন, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. দাউদ হোসেন, নবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মনোয়ারা খাতুন ও সনাকের সদস্য সেলিনা খাতুন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এজেডএম নুরুল হক বলেন, সরকারের কোন দপ্তর কোন ধরনের সুবিধা দিয়ে থাকে সেই তথ্যগুলো সাধারণ মানুষের জন্য এই মেলা অনেক কার্যকরী ভ’মিকা রাখবে। ৩দিনেরে এই মেলায় সরকারি সেবা খাতে হয়রানী বন্ধে অনেক ভূমিকা রাখবে। বর্তমান সরকার দেশকে দারিদ্রমুক্ত ও ক্ষুধামুক্ত করে গড়ে তুলতে কাজ করছে। ২০৪১ সালের মধ্যে এদেশ একটি সমৃদ্ধশালী ও উন্নত দেশে পরিনত হবে। এসময় তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে এদেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারি দপ্তরগুলো কোন নাগরিককে যাতে হয়রানী বা ঠকাতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। জেলা প্রশাসনের সেবা সর্ম্পকিত যেকোন সমস্যা হলে আমাকে জানালে কার্যকর ব্যবস্থা নিবো। আলোচনা সভা শেষে অংশগ্রহনকারী সকল স্টলকে ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। ৩দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত মেলার সমাপনী দিনে ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। স্টলগুলো ঘুরে দেখা গেছে আগ্রহের সাথে দর্শনার্থীরা ঘুরে ঘুরে দেখছেন স্টগুলো। মেলায় আসা এমনি কয়েকজনের সাথে কথা হয় প্রতিবেদকের। পৌর শহরের আরামবাগ এলাকার মো. শফিকুল ইসলাম। পেশায় একজন শিক্ষক। মেলায় নিয়ে এসেছেন পরিবারের সকল সদস্যকে নিয়ে। তিনি জানান, সবগুলো স্টল ঘুরে দেখলাম। এখানে এসে সরকারি অনেক দপ্তরের সর্বশেষ তথ্য জানতে পারলাম। সরকারি বিভিন্ন সেবা পেতে আজকের এই মেলায় এসে অনেক উপকার হলো। নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অনার্স ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন বন্ধুর সাথে মেলায় এসেছেন। তার সাথে কথা হলে সে জানায়, দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করতে এমন মেলার আয়োজন স্যতিই আমাদের জন্য অনেক উপকারে আসবে। আমরা এখানে আসার আগে জানাতাম না, রেলওয়ের টিকিট কোন ইন্টারনেট ছাড়াই শূধুমাত্র মোবাইলের মাধ্যমেই জানা যায়। তাছাড়াও টিকিট কাটা ট্রেনের অবস্থানও মুঠাফোনের মাধ্যমেই আমরা জানতে পারবো। ৩ দিনের এ মেলায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ৫৭ টি স্টল অংশগ্রহণ করেছে। যার মধ্যে সরকারি দপ্তরের সংখ্যা ছিল ৪৭টি।

মন্তব্য দেয়া বন্ধ রয়েছে।

একদম উপরে যান