২রা পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ৮ই রবিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী | রবিবার | ভোর ৫:৫০ | শীতকাল
সর্বশেষ সংবাদ
Bangla Font Problem?

জেলায় ২৭ তম আন্তর্জাতিক ও ২০ তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত

সোমবার :: ০৩-১২-২০১৮
সাম্য ও অভিন্ন যাত্রায় প্রতিবন্ধী মানুষের ক্ষমতায়ন-প্রতিপাদ্যে জেলায় ২৭ তম আন্তর্জাতিক ও ২০ তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত হয়েছে। আজ সকালে জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজসেবা, প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাসমূহের আয়োজনে জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে একটি র্যালী বের হয়ে গ্রীণভিউ চত্বর ঘুরে একই জায়গায় শেষ হয়। র্যালীতে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক এজেডএম নূরুল হক, স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক ড. চিত্রলেখা নাজনীন, সিভিল সার্জন ডাঃ এসএফএম খায়রুল আতাতুর্ক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট দেবেন্দ্রনাথ উঁরাও, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মাসরুবা ফেরদৌস, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নূর মোহাম্মদ, সহকারী পরিচালক সিরাজুম মুনির আফতাবীসহ অন্যান্যরা। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনাসভায় জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নূর মোহাম্মদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক এজেডএম নূরুল হক। গশারীরিক সমস্যা থাকা কোনো প্রতিবন্ধকতা নয় উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে বলেন, যারা অনায়করে বেআইনি কাজ করে তাতে তারা দিনের প্রতিবন্ধী। ঐ একটাই আছে প্রতিবন্ধী আর আর আমরা বাকিরা কেউই প্রতিবন্ধী না। শারীক প্রতিবন্ধী বলতে কিছু নাই, মানসিক প্রতিবন্ধী বলতে কিছু নাই। এটাকে আজকাল আর্ন্তজাতিক ভাবেই বলা হয় ডিসপেক্ট এবেল। এখান থেকে দুই একজনকে ছোট খাট কোন সমস্যার কারণে বসে থাকে তাহলে অংশ গ্রহন না করে তাহলে আমাদের উন্নয়ন কিন্তু হবে না। অতএব আমার একটা শারীরিক সমস্যা থাকতে পারে একটা মানসিক সমস্যা থাকতে পারে তাই বলে ঘরে বসে থাকবো না হতাশ হয়ে। আমি কাজ করবো সবাই এই সমাজের সমান অংশিদার। প্রতিবন্ধিদের কিছু দাবি তুলে ধরে বক্তব্য দেন সেলিম রেজা মিলন। এসময় তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী সমাজের একটি সম্পদ। তাদের পরিবারের ট্রেনের টিকিট বিনামূলে করা হাসপাতালে বিনামূলে টিকিট এবং সবার প্রথমে প্রবেশের সুযোগ করা। আমাদের দেশে অর্ন্তজাতিক ভাবে কোন দিবস পালন করা হয় কিন্তু এই দিবসটি সব জায়গায় পালন করা হয় না। যদি সব স্কুলে বা প্রতিষ্ঠানে পালন করা হতো তাহলে সকল প্রতিবন্ধীরা সহজেই উৎফুল্ল হয়ে পালন করতে পারত। জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নূর মোহাম্মদ বলেন, সরকার প্রতিবন্ধীদের জন্য ভাতা ও শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি চালু করেছে। জেলায় এ সুবিধা প্রাপ্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী জরিফ সম্পূর্ণ হয়েছে। জেলায় আমাদের সর্বমোট প্রতিবন্ধী রয়েছে ২২,৭৮৯ জন। প্রতি মাসে ৭০০ টাকা করে ভাতা পান, তাদের সংখ্যা ১২,৯৭০ জন এবং প্রাথমিক, মাধ্যমিক উচ্চম্যামিক এবং তাদের পর্যায়ে যারা উপবৃত্তি পেয়ে থাকেন এরকম উপবৃত্তিধারির সংখ্যা ৮২৭ জন, প্রতিবন্ধী জন্য ক্ষুদ্র ঋন কার্যক্রম চালু রয়েছে, কার্যক্রমে আওতাই রয়েছে ১১৪ জন। আলোচনাসভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। শেষে একটি প্রতিষ্ঠান, ২ জন প্রতিবন্ধতিা উত্তরণে ও সফল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সম্মান্ন স্মারক এবং ক ও খ বিভাগে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির পক্ষ থেকে ৩০ জন চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীকে শান্তনা পুরস্কার দেওয়া হয়। এদিকে, একই অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

মন্তব্য দেয়া বন্ধ রয়েছে।

একদম উপরে যান